প্রতিবেদক: Raisul Islam Shohag | ক্যাটেগরি: বৃহত্তর কুমিল্লা | প্রকাশ: 7 Feb 2026, 4:13 PM
কুমিল্লায় শান্তিপূর্ণ প্রচারণা, নিরাপত্তা জোরদার
অশোক বড়ুয়া
আর মাত্র কয়েকদিন পরেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘হ্যাঁ-না’ গণভোট। অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনায় এবং নির্বাচন কমিশনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী একযোগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও হ্যাঁ-না গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
ইতোমধ্যে সারা দেশে নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও আনসার বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। প্রতিটি সংসদীয় আসনের জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে জোরদার করা হয়েছে।
সারা দেশের মতো কুমিল্লাতেও বর্তমানে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থী, কর্মী ও সমর্থকরা। তারা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। তবে এবারের নির্বাচনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের হ্যাুঁনা গণভোটের তুলনায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীরা বেশি প্রচার-প্রচারণায় মনোযোগী। সরকারি ভাবে হ্যাুঁনা গণভোটের প্রচার অভিযান চালানো হলেও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এ বিষয়ে তেমন উৎসাহ পরিলক্ষিত হচ্ছে না।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলীয় প্রার্থীরা ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা এলাকাভিত্তিক সমস্যা সমাধানের নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও ভোটারদের মধ্যে কোন দলের পক্ষে ভোট প্রদানের বিষয়ে প্রকাশ্য আলোচনা তুলনামূলকভাবে কম। নির্বাচনী মাঠে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীদের জোরালো ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রচারণা থাকলেও ভোটারদের মধ্যে পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে তেমন আলোচনা-সমালোচনা নেই।
এদিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দুটি বড় রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে মাঠ পর্যায়ে নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটাররা ভোট প্রদানের বিষয়টি নিয়ে ভাবছেন।
কুমিল্লা জেলায় ১৭টি উপজেলা, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ও ৮টি পৌরসভা নিয়ে মোট ১১টি সংসদীয় আসনে এবারের নির্বাচনে ৮২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। গত ২১ জানুয়ারি প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং পরদিন ২২ জানুয়ারি থেকে জেলার প্রতিটি আসনে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়।
বর্তমানে জেলা জুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে নির্বাচনী আচরণবিধি অনুসরণ করে প্রচারণা চলছে এবং সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। ১১টি আসনের আওতাধীন ১৭টি উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নির্বাচনকালীন আচরণবিধি পর্যবেক্ষণে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল দল মাঠে সক্রিয় রয়েছে।
এই সংবাদটি শেয়ার করুন
অন্যান্য খবর
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সনাতনী সম্প্রদায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত...
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কুমিল্লা।।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সনাতন ধর্মাবলম্...
মাদক ও বেকারত্ব দূর করাই হবে আমার প্রথম কাজ - কায়কোবাদ
মহিউদ্দিন আকাশ গত ১৭ বছরে আমাদের তরুনদের একটা অংশকে বিপথে নিয়ে গেছে আওয়ামী লীগ। গ্রামে গন...
নাঙ্গলকোটে ড্রেন নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ
নাঙ্গলকোট প্রতিনিধিনাঙ্গলকোট উপজেলা সদর হতে পাটোয়ার ব্রিজের মাথা পর্যন্ত চলমান ড্রেন নির্মাণ কাজে অন...
ভোটাধিকার ফিরে পেতে ধানের শীষে ভোট দিতে প্রস্তুত সাধারণ মানু...
মো. আনোয়ারুল ইসলাম।।বিগত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সাধারণ মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়ন...
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় কুমিল্লার প্রবাসী শাহীন মিয়ার মৃত্যু
মো. আনোয়ারুল ইসলাম, ব্রাহ্মণপাড়া সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় শাহীন মিয়া (৪০) নামে এক বাংলাদেশি প্রব...
কুমিল্লায় ৯০ ভাগ কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ সিসি ক্যামেরার আওতায় থ...
নিজস্ব প্রতিবেদকবিগত স্থানীয় ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সহিংসতার বিষয় মাথায় রেখে কুমিল্লার ৯ শতাধিক...