প্রতিবেদক: Raisul Islam Shohag | ক্যাটেগরি: বৃহত্তর কুমিল্লা | প্রকাশ: 3 Nov 2025, 9:21 AM
নবীনগরে আধিপত্য নিয়ে গোলাগুলিতে একজন নিহত, তিনজন আহত
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া মিনাজ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষে ১ জন নিহত ও উভয় পক্ষের ৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। নিহত শিপন মিয়া (৩০) উপজেলার থোল্লাকান্দি গ্রামের মন্নাফ মিয়ার ছেলে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকায় নেওয়ার পথে শিপন মিয়া মারা যান। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হোটেলের দুই কর্মচারী ইয়াছিন (২০), নূর আলম (১৮) ও এমরান মাস্টার (৩৮)কে রাতেই ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে আরও তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এ ঘটনার পর এক পক্ষের লোকজন প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে রাতেই নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক ও নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহীনুর ইসলাম ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পুনরায় সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট ও হামলার আশঙ্কায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের বড়িকান্দি গণি শাহ মাজার সংলগ্ন বাজারে স্থানীয় একটি হোটেলে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে এলাকার কুখ্যাত ডাকাত মন্নাফ মিয়া ওরফে মনেক ডাকাতের ছেলে শিপন মিয়া (৩০) আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওই সময় আচমকা একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হোটেলে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে, এতে শিপন মিয়া (৩০) ও হোটেলের দুই কর্মচারী ইয়াছিন (২০) এবং নূর আলম (১৮) গুলিবিদ্ধ হন। গুলির শব্দে পুরো বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে মনেকের নেতৃত্বে বিক্ষুব্ধ লোকজন সশস্ত্র অবস্থায় গণি শাহ মাজারের অদূরে তালতলায় গিয়ে স্থানীয় এমরান হোসেন মাস্টারের অফিসে হামলা চালায়। এ সময় মনেকের সশস্ত্র লোকজনের ছোড়া গুলিতে এমরান মাস্টার (৩৮) গুলিবিদ্ধ হন। এমরান মাস্টার শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক। এমরান মাস্টারের বাড়ি বড়িকান্দি ইউনিয়নের থোল্লাকান্দি গ্রামে। বিক্ষুব্ধ সশস্ত্র লোকজন এরপর থোল্লাকান্দি গ্রামে হামলা চালিয়ে একাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এদিকে গুলিবিদ্ধ চারজনকে রাতেই ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে হোটেল কর্মচারী ইয়াছিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। এলাকার একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মনেক ডাকাত ও তার ছেলে শিপনের দীর্ঘদিনের একচ্ছত্র প্রভাব ছিল। সেই আধিপত্যকে কেন্দ্রকরেই থোল্লাকান্দি গ্রামের আরাফাতের নেতৃত্বে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা শনিবার রাতে মনেক ডাকাতের ছেলে শিপনকে গুলি করে। পাল্টাপাল্টি এ গুলিবিনিময়ের ঘটনার পর পুনরায় সংঘর্ষ ও হামলার আশঙ্কায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। নবীনগর থানার ওসি শাহীনুর ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আমাদের অভিযান চলবে। এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ শিপন মিয়া মারা গেছেন।
এই সংবাদটি শেয়ার করুন
অন্যান্য খবর
কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশী নিহত
নেপাল চন্দ্র সাহা, কসবাব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার ধজনগর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ...
প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির মত...
নিজ¯^ প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণপাড়াকুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়ে...
মানবতার ছোঁয়ায় বুড়িচংয়ের শিকারপুরে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা...
মো. জাকির হোসেনমানুষ মানুষের জন্য—এই চিরন্তন সত্যকে সামনে রেখে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়ন...
পুকুর ভরাট প্রতিরোধে মোবাইল কোর্টে জরিমানা
আয়েশা আক্তারকুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলায় পুকুর ভরাটের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ম...
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আব...
মো.জাকির হোসেন কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের কোরপাই গ্রামের কৃতি সন্তান, বীর মুক্তিযো...
আদেশ পেয়েও ফেনীর পুলিশ সুপার হিসেবে যোগ দিতে পারছেন না এসপ...
সোহেল রানা, চান্দিনা কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বাসিন্দা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাহবুব আলম খান|...