প্রতিবেদক: Raisul Islam Shohag | ক্যাটেগরি: জাতীয় | প্রকাশ: 6 Sep 2025, 11:57 AM
হাজার হাজার কোটি টাকা খরচেও বাড়েনি দেশের গ্যাসের মজুদ
এফএনএস
হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করা হলেও দেশে প্রত্যাশা অনুযায়ী গ্যাসের মজুদ বাড়েনি। বরং গ্যাস খাতের অনুসন্ধান ও উন্নয়ন কার্যক্রমে টাকা এলএনজি কিনতে ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অর্থ প্রদান করেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে গ্যাস উন্নয়ন তহবিলে (জিডিএফ) জিডিএফে মাত্র ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকার মতো জমা রয়েছে। তবে জিডিএফের অর্থ থেকে স্থানীয় গ্যাস উত্তোলন কোম্পানি বাপেক্স, সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (এসজিএফএল) ও বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (বিজিএফসিএল) ৭ হাজার ৪০৩ কোটি টাকায় গ্যাস অনুসন্ধান, কূপ খনন ও সংস্কারে মোট ৪৫টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। জ্বালানি বিভাগ এবং পেট্রোবাংলা সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বিগত ২০০৯ সালে দেশে গ্যাস খাতের উন্নয়ন ও সংস্কার কাজে অর্থায়নের জন্য গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ উত্তোলন করে গ্যাস উন্নয়ন তহবিল (জিডিএফ) গঠন করা হয়। তহবিল গঠনের তাতে ওই বছরের আগস্ট থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত মোট ১৭ হাজার ৭০৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা জমা হয়। কিন্তু গ্যাস খাতের অনুসন্ধান ও উন্নয়ন কার্যক্রমে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা খরচ হলেও দেশে প্রত্যাশা অনুযায়ী বাড়েনি গ্যাসের মজুদ। বরং জিডিএফ তহবিল থেকে এলএনজি কিনতে ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অর্থ প্রদান করার পর তহবিলের বর্তমানে জিডিএফে ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকার মতো জমা রয়েছে। গ্যাস উন্নয়ন তহবিল থেকে বিগত ১৬ বছরে ১৬ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় হলেও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অর্থ প্রদান ও এলএনজি কিনতে তার প্রায় ৫১ শতাংশ ব্যয় হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, জিডিএফে গ্রাহকের জমা দেয়া অর্থের বেশির ভাগই ব্যবহার করা হয়েছে নিয়ম না মেনে।
সূত্র জানায়, জিডিএফে জমাকৃত অর্থের মধ্যে মোট ৯ হাজার কোটি টাকা এলএনজি আমদানিতে ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে চলে গেছে, যা তহবিলে জমাকৃত অর্থের ৫০ দশমিক ৮১ শতাংশ। বর্তমানে এ তহবিলে জমা রয়েছে ১ হাজার ৩০৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। অথগ্যাস উন্নয়ন তহবিল জনগণের অর্থ। ওই অর্থ জ্বালানি বিভাগ জবরদখল করেছে। বিভিন্ন পলিসি পলিসির মাধ্যমে জিডিএফের টাকা নিয়ে নেয়া হয়েছে। যা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা। দেশে গ্যাসের সরবরাহ সংকট কাটাতে বিগত ২০২২ সালে তীব্র অর্থ সংকটে থাকা পেট্রোবাংলাকে ২ হাজার কোটি টাকা জিডিএফ থেকে ঋণ হিসেবে দেয়ার জন্য অর্থ বিভাগকে অনুরোধ জানায় জ্বালানি বিভাগ। পরে অর্থ বিভাগ ওই তহবিল ব্যবহারে সম্মতি দেয়। আর তাতে এখন পর্যন্ত তহবিল থেকে পেট্রোবাংলা মোট ৬ হাজার কোটি টাকা এলএনজি কিনতে ঋণ নিয়েছে। তার আগে দেশে করোনা মহামারীকালে তীব্র অর্থ সংকটে পড়লে দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, সংস্থার উদ্বৃত্ত তহবিল রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়ার আইন করা হয়। আর ওই আইনের আওতায় ২০২১ সালে পেট্রোবাংলা জিডিএফকে নিজের উদ্বৃত্ত তহবিল দেখিয়ে অর্থ বিভাগকে ৩ হাজার কোটি টাকা দিয়ে দেয়।
এই সংবাদটি শেয়ার করুন
অন্যান্য খবর
শুভ জন্মদিন মেসি; অতৃপ্তি থেকে অমরত্বে
২০১৬ সালে ভাঙা হৃদয়ে জাতীয় দলকে বিদায় বলেছিলেন লিওনেল মেসি। কোপা আমেরিকার আরেকটি ফাইনাল হার, সমালোচন...
নগরীর 6নং ওয়ার্ডে মাদকের ভয়াভয় আখরা
আয়েশা আক্তার।। কুমিল্লা নগরীর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চকবাজার ও শুভপুর এলাকার বিস্তীর্ণ জনপদজুড়ে ভয়াবহ...
পরীক্ষা-ফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতার প্রতিবাদে কুবির আইন বিভাগের...
কুবি প্রতিনিধি :কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আইন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সেমিস...
দেবিদ্বারে এসএসসি পরীক্ষার বোর্ড খাতা দেখছেন পরীক্ষার্থী
মোঃ আক্তার হোসেনকুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার আব্দুল্লাহপুর হাজী আমীর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বা...
কুমিল্লায় ১০ লাখ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাপস...
জাহিদ পাটোয়ারী, কুমিল্লা প্রতিনিধিকুমিল্লা জেলাায় ১০ লাখ শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে...
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ...
নিজস্ব প্রতিবেদক, সদর দক্ষিণকার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও নাশকতার অপচেষ্টার প্রতিবাদে কুম...