প্রতিবেদক: Raisul Islam Shohag | ক্যাটেগরি: জাতীয় | প্রকাশ: 6 Jan 2026, 11:49 AM
পরিবর্তনের রাজনীতিসহ বিএনপির আট প্রতিশ্রুতি
পূর্ব-ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা এবং জুলাই জাতীয় সনদের সমন্বয়ে আটটি বিষয়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে বিএনপির জাতীয় নির্বাচনের ইশতেহার। সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে পরিবর্তনের রাজনীতি নিয়ে নির্বাচনি মাঠে নামছে বিএনপি। নির্বাচন সামনে রেখে পুরোদমে চলছে ইশতেহার তৈরির কাজ। অধিক গুরুত্বপ্রাপ্ত খাতগুলোর মধ্যে থাকছে- ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও ধর্মীয় নেতাদের জন্য উন্নয়ন সেবা। যা এবারের নির্বাচনে নতুন ‘ডাইমেনশন’ আনবে বলে সবার প্রত্যাশা। পাশাপাশি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাম্প্রতিক সময়ে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্যের মূল দিকনির্দেশনাগুলোও এতে প্রতিফলিত হতে যাচ্ছে। ইশতেহার তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং বিএনপির নির্ভরযোগ্য নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইশতেহারের আটটি বিষয়ের প্রতিশ্রুতি ভোটের মাঠে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। কারণ, বাংলাদেশে ইতিপূর্বে কিছু ক্ষেত্রে কার্ড দেওয়া হলেও বিএনপি কার্ডের ক্ষেত্রে এবার যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, সেখানে অনেকগুলো নতুন খাত, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। এর মধ্যে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের সুযোগ কিন্তু ইউরোপে আছে। এগুলো যদি বাংলাদেশে প্রবর্তন করা যায় এবং তা যদি সামাজিক খাতে এক ধরনের অগ্রগতি অর্জন হয়, তাহলে সামাজিক ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য এক বিরাট সুযোগ তৈরি করবে।
দলের নীতি-নির্ধারক ও জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দলের ইশতেহার তৈরি ও ঘোষণা হবে এটিই স্বাভাবিক। কেন্দ্রীয় ও মূল (ভিত্তিমূলক) বিষয় হিসেবে- গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, শাসনব্যবস্থা পুনর্গঠন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণ, মানবাধিকার রক্ষা ও দুর্নীতিবিরোধী কাঠামো শক্তিশালীকরণের প্রতিশ্রুতিগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। একই সঙ্গে জনগণকে রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া এবং দলীয় প্রভাবমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলাই হবে বিএনপির প্রধান রাজনৈতিক অঙ্গীকার। তাছাড়া বিএনপি এমন একটি দল- যা করতে পারবে না, তেমন প্রতিশ্রুতি কখনোই দেয় না। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইতোমধ্যেই বলেছেন যে, ‘আমার একটা প্ল্যান আছে’। জনগণের জন্য কৃত বাস্তবভিত্তিক সেই পরিকল্পনাই হলো বিএনপির পরিকল্পনা।
দলের অপর নীতি-নির্ধারক জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, পরিবর্তনের রাজনীতির আলোকেই বিএনপির এই আটটি খাতে গুরুত্বপূর্ণ কার্ড প্রদানের প্রতিশ্রুতি। যা আসন্ন ভোটে ‘নিউ ডাইমেনশন’ আনবে। তাছাড়া বিএনপির পরিকল্পনা অত্যন্ত সুস্পষ্ট। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তাঁর সাম্প্রতিক বিভিন্ন বক্তব্যে পরিষ্কারভাবে বিএনপির পরিকল্পনাগুলো তুলে ধরেছেন। বিএনপি অতীতে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছে- তার সবই বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছে। এবারও ইনশা আল্লাহ সরকারে গেলে সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে। বিশেষ করে মানুষের নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বাংলাদেশের মানুষকে আর আগের সরকারের মতো শুধুমাত্র ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না। এজন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা ও নেতৃত্ব। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি এখন সেই পথেই হাঁটছে। তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হবে পরিবর্তনের সুযোগ। এই পরিবর্তন হবে দায়িত্বশীল রাজনীতি, জনগণের অধিকার এবং একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের পথে যাত্রা। সময় এসেছে নীতিনির্ভর রাজনীতির। সময় এসেছে জনগণের জীবনে সত্যিকার পরিবর্তনের। আটটি বিষয়ের প্রতিশ্রুতিই সেই সত্যিকার পরিবর্তন আনবে বলে আমাদের দৃঢ় প্রত্যাশা।
জানা যায়, আটটি গুরুত্বপূর্ণ খাতসহ নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির প্রতিটি বিষয়ে জনগণের সামনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরতে মূল দল এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে বৃহৎ আঙ্গিকে তথ্য-প্রচার কর্মসূচি শুরু করেছে বিএনপি। এ জন্য পাঁচটি টিম গঠন করা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করেই এই প্রচারণা চালানো হবে। তারা এলাকায় এলাকায়, ঘরে-ঘরে গিয়ে ভোটারদের কাছে প্রকৃত তথ্য পৌঁছে দেবেন। ফলে মানুষ আগেভাগেই জানতে পারবে বিএনপি জনগণের জন্য কী পরিকল্পনা করেছে। এতে ভুল তথ্যের সুযোগ কমবে, ভোটাররা নিজেদের ভবিষ্যৎ ভেবে সহজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের মতে, বিএনপির আটটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের অধিক ফোকাসের মাধ্যমে ভোটার তথা দেশের জনগণের মাঝে একটা আস্থার জায়গা তৈরি হতে পারে। সাধারণ মানুষ যারা অভাব ও বিপদগ্রস্ত, রাষ্ট্রের কাছ থেকে তারা আসলে এ ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবে, সেটি ইতিপূর্বে কখনো কল্পনাও করেনি। এখন যদি ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা আছে- এমন কোনো রাজনৈতিক দল, এ ধরনের সুযোগ-সুবিধা সংবলিত কার্ড নাগরিকদের দিতে চায়, তখন তাদের মধ্যে এক ধরনের উচ্ছ্বাস তো তৈরি হবেই। নাগরিক সাধারণ মনে করবে, যে দল ক্ষমতায় যাবে, সেই দলকে ভোট দিলে হয়তো এই কার্ডটা কিংবা সুবিধাটা তারা পাবেন। স্বাস্থ্য বা শিক্ষা খাতে যে সুবিধাগুলো এখন তারা পাচ্ছেন না, সেগুলো তারা পাবেন। সুতরাং এই উদ্যোগগুলো অবশ্যই বিএনপির জন্য ইতিবাচক।
জানা গেছে, নির্বাচনি ইশতেহারে বিএনপির ৩১ দফার মূল বিষয়-নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা, মানবাধিকার সুরক্ষা, বাক-স্বাধীনতা, স্বচ্ছ প্রশাসন ও জাতীয় অর্থনীতি পুনরুদ্ধার বিশদভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এ ছাড়া জুলাই সনদের আলোকে মানবাধিকার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশনসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে পূর্ণ স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা দেওয়ার পরিকল্পনাও ইশতেহারে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে দলীয় প্রচারের কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আসন্ন নির্বাচনি প্রচারে কী কী বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে, তা নিয়ে নীতি-নির্ধারণী মহলের সদস্যরা তাদের মতামত ব্যক্ত করেন। কৌশল অনুযায়ী নির্বাচনি প্রচারে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশাকে পৃথকভাবে টার্গেট করে এই প্রচারণা চালাবে বিএনপি।
জানা যায়, এবারের ইশতেহারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে একটি হলো- ফ্যামিলি কার্ড। এতে বলা হয়েছে, সরকারে গেলে বিএনপি প্রতিটি পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক নারীর নামে ফ্যামিলি কার্ড চালু করবে, যাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সাশ্রয়ী দামে পাওয়া যায়। প্রতিটি পরিবার মাসে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা সমমূল্যের খাদ্য ও জরুরি পণ্য পাবে। এর ফলে পরিবারগুলোর কিছু টাকা সঞ্চয় হবে। সেই সঞ্চয়ের মাধ্যমে নারী সদস্যের নেতৃত্বে আয়ের ছোট উদ্যোগ শুরু করা সম্ভব হবে। যা হবে নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক সুরক্ষার একটি স্থায়ী পথ। কৃষক কার্ড চালু হলে কৃষকরা স্বল্পমূল্যে সার, উন্নত বীজ ও কৃষিপ্রযুক্তি পাবেন। পাশাপাশি সহজে ঋণ এবং বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হবে। এতে কৃষি উৎপাদন বাড়বে, কৃষকের আয় বাড়বে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে। কৃষক বাঁচলে দেশও বাঁচবে।
স্বাস্থ্যসেবা খাত নিয়ে বলা আছে, বিএনপি প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেবে এবং সারা দেশে শক্তিশালী প্রাইমারি হেলথ কেয়ার নেটওয়ার্ক গড়ে তুলবে। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ধরনের অন্তত ১ লাখ দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। যার ৮০ শতাংশই হবেন নারী। যাতে নারী ও শিশুদের সেবা আরও সহজে পাওয়া যায়। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা হবে সবার অধিকার, আর তা পৌঁছে যাবে প্রতিটি গ্রাম, শহরের ওয়ার্ড ও মানুষের ঘরের কাছে।
শিক্ষায় মুখস্থবিদ্যা নয়, চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা এবং দক্ষতা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার মাধ্যমে তরুণদের ভবিষ্যৎ উন্নত করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষায় বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং শিক্ষকদের অবস্থান ও আর্থিক সুরক্ষা করা হবে উন্নত। পাঠ্যক্রমের সঙ্গে শিল্প ও কর্মক্ষেত্রের বাস্তব যোগসূত্র তৈরি করা হবে। যেন শিক্ষার ফলটা বাস্তব চাকরি ও উদ্যোগের ক্ষেত্রে কাজে লাগে। শুধু সার্টিফিকেট নয়, কাজের দক্ষতা বাড়ানোই হবে বিএনপির মূল লক্ষ্য।
ক্রীড়ার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে- ক্রীড়াকে শুধু শখ নয়, পেশা হিসেবেও গ্রহণযোগ্য করতে বিএনপি সর্বস্তরে খেলাধুলার মান উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেবে। স্কুল ও কলেজে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হবে এবং পর্যাপ্ত ক্রীড়া শিক্ষক ও প্রশিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এতে নতুন প্রতিভা তৈরি হবে, তরুণরা কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র পাবে এবং সামাজিক ক্ষতি কমবে।
পরিবেশে বলা আছে, বিএনপি নবায়নযোগ্য শক্তি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও রিসাইক্লিং বাড়িয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা করবে। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বাড়াতে এবং মৌসুমি বন্যা থেকে মানুষকে রক্ষা করতে সারা দেশে ২৫ হাজার কিলোমিটার খাল-নদী খনন ও পুনঃখনন করা হবে।
কর্মসংস্থানে এসএমই, ব্লু ইকোনমি, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও আইসিটি খাতে ব্যাপক নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি করা হবে। যাতে পরিবারে আয় বাড়ে ও অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হয়। বিএনপি তথ্যপ্রযুক্তি, ই-কমার্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার নিরাপত্তা, গেমিং ও স্টার্টআপ খাতকে কর্মসংস্থানের প্রধান উৎসে পরিণত করবে। একই সঙ্গে বিদেশি শ্রমবাজারে নতুন সুযোগ খুঁজে বের করে এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে আরও বেশি তরুণকে ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্টে পাঠানো হবে।
এই সংবাদটি শেয়ার করুন
অন্যান্য খবর
চৌদ্দগ্রামে জামায়াত-বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ...
এমরান হোসেন বাপ্পিকুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের হাটবাইরে জামায়াত-বিএনপি’র কর্মী-সমর্থক...
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ২২নং ওয়ার্ডে সমন্বয় কমিটির সভা...
নিজস্ব প্রতিবেদক, সদর দক্ষিণকুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ২২নং ওয়ার্ডে সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।...
মিডিয়ার প্রশংসা দেখে মনে হয় হাসিনার আমলে আছি-হাসনাত আবদুল্ল...
মোঃ আক্তার হোসেনকুমিল্লা-৪ আসনে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (...
কুমিল্লা-১০ আসনে ধানের শীষ কোন ভূঁইয়ার আজ নির্ধারণ হতে পার...
সাইফুল ইসলামকুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী ধানের শীষ কোন ভূঁইয়ার তা আজ রোব...
দেশে আর কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার দেখতে চাই না-ডা. শফিকুর রহ...
চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধিবাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা আদিপত্যবাদ মানবো না...
বিএনপি ক্ষমতায় এলেই দেশে উন্নয়ন হয়-মনিরুল হক চৌধুরী
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিকুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মনিরুল হ...